রাজশাহী সিটির অর্থ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী | প্রকাশিত: ১৭:৪৬, ৩০ অক্টোবর ২০২৪
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) অর্থ ও সংস্থাপন স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নগর ভবনের সচিব দপ্তরে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, রাসিক প্রশাসক এবং অর্থ ও সংস্থাপন স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর।
সভাপতির বক্তব্যে ড. হুমায়ূন কবীর বলেন, “রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন একটি নাগরিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। নাগরিক সেবার মান বাড়াতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে হবে এবং রাজস্ব আদায়ের কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।” তিনি সরকারি ও বেসরকারি হোল্ডিং কর, বাণিজ্যিক লাইসেন্স, ইজারা, যানবাহনের লাইসেন্স এবং সিনেপ্লেক্সের আয়ের মতো খাতগুলোর আদায় কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভার আলোচনায়, নগরীর সড়কবাতির বিদ্যুৎ খরচ কমিয়ে আনার জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এছাড়া, জুলাই ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত রাসিকের প্রকৃত আয় ও ব্যয়ের হিসাব পর্যালোচনা করা হয়। সভায় বিভিন্ন সংস্থার কাছে রাসিকের বকেয়া দাবি পরিশোধের বিষয়েও আলোচনা হয়।
সভায় আরও আলোচিত হয় সিটি কর্পোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের সম্মানী, কার্যালয় ভাড়া, অফিস ব্যবস্থাপনার খরচ এবং জরুরি কাজে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটার সামগ্রী কেনার প্রস্তাব। সড়কবাতির বিদ্যুৎ বিল যৌক্তিক পর্যায়ে আনতে এবং যানবাহনের জ্বালানি খরচ কমাতে কার্যকরী পদক্ষেপের গুরুত্বও আলোচনা করা হয়।
সভায় রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এবিএম শরীফ উদ্দিন, সচিব মো. মোবারক হোসেন, গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. কবির হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুনসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম, গবেষণা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, বাজেট ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং ট্যাক্স কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহম্মেদ সভায় অংশ নেন।
সভায় বিভিন্ন দপ্তরে অনুদান প্রদান, পরিবহন শাখার নতুন সরঞ্জামের ভাড়া নির্ধারণ এবং সিটি কর্পোরেশন হাসপাতালের কার্যক্রমের উন্নতি নিয়েও আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাসিক প্রশাসন সেবার মান বৃদ্ধি এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা আনতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।














